শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

News Headline :
১৮ জুলাই পাবনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলির ঘটনার কোন বিচার হবে না ? মতিহার থানার ধরমপুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, দাফন সম্পন্ন পাবনায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের উপর হামলা পাবনায় কবি “বন্দে আলী মিয়ার সাহিত্য কর্মে সমকালীন সমাজ” গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সাথে বাসের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত আহত ১০ জন পাবনায় ২টি বিদেশি পিস্তল ম্যাগজিন ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার রাজশাহী মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে প্রতারণা, বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক (CRN) বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত পাবনার আটঘরিয়ায় মিয়াপাড়ার আব্দুস সালাম ৬বছর ধরে শিকলবন্দী রহস্য উদঘাটনের দাবি এলাকাবাসীর ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ গৃহবন্দি

রাজশাহীতে অস্থির গুড়া মসলার বাজার

Reading Time: < 1 minute

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী:
সবজি ও মাছ-মাংসের বাজার আগে থেকেই চড়া। তার সাথে জোট বেঁধেছে মুদি বাজারও। সয়াবিন তেলের দাম কিছুটা কমলেও বেড়েছে নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় সব ধরনের গুড়া মসলার দাম। বুধবার রাজশাহীর সাহেব বাজারের মুদি দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায়, জিরা, শুকনা ও গোল মরিচ, এলাচ, দারুনিচি, লবঙ্গসহ প্রায় সব মসলারই দাম বাড়তি। মানভেদে প্রতি কেজি জিরা বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকায়। আর শুকনা মরিচ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং গরম মসলার কেজি ৪০০ টাকা। এছাড়া আঠাশ চাল মান ভেদে ৫০ থেকে ৮৫ টাকা, মশুর ডাল ১০০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে সয়াবিন তেলের দাম কিছুটা কমে লিটার প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায়। আর সরিষার তেল ২০০ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে।
দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বিক্রেতারা বলছেন, গুড়া মসলাগুলো পুরোপুরি আমদানি নির্ভর। আমদানি কম হওয়ার কারণে গুড়া মসলার দাম বেড়েছে। তবে আমদানি কম, নাকি উৎপাদন কম এবিষয়ে স্পষ্ট ধারনা নেই বলেও জানান তারা। এদিকে বাজারে গুড়া মসলার যে দাম তা খেটে খাওয়া মানুষের জন্য নাগালের বাইরে জানিয়ে মুদি পন্যের দাম কিছুটা কমলে তা সবার জন্যই স্বস্তিদায়ক হবে বলেন বাজার করতে আসা বিভিন্ন ক্রেতারা। সাহেব বাজারে মুদি বাজার করতে আসা মোজাম্মেল হক জানান, যেখানে ১০০ গ্রাম জিরা ৪০ টাকায় পাওয়া যেত যেই জিরা এখন ১০০ টাকা। এভাবে প্রায় প্রতিটা জিনিসের দাম দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ার তারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। মুদি পন্যের দাম আরও কমানো প্রয়োজন বলেও জানান তিনি। আরেকজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, বাজারে নিয়মিত মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকার কারণে যে যার ইচ্ছামত দাম বাড়াচ্ছেন। পন্যের দাম নিয়ন্ত্রনের বিষয়টি কঠোরভাবে নজরদারি প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com